২০১৬ সালের শেষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন -বিশেষ সিনেট অধিবেশনে উপাচার্য | সিনেট অধিবেশনে বিএনপি নেত্রীর বক্তব্যে নিন্দা প্রস্তাব গ্রহণ

0

২৯ ডিসেম্বর, ২০১৫

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

২০১৬ সালের শেষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন
-বিশেষ সিনেট অধিবেশনে উপাচার্য

সিনেট অধিবেশনে বিএনপি নেত্রীর বক্তব্যে নিন্দা প্রস্তাব গ্রহণ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সিনেট অধিবেশনে আজ ২৯শে ডিসেম্বর  ২০১৫ সকাল ১০:০০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সিনেট মিলনায়তনে মাননীয় উপাচার্য ও সিনেট চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ এর সভাপতিত্বে ‘কলেজ শিক্ষার মানোন্নয়ন’ বিষয়ক একক এজেন্ডা নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। উপাচার্য তাঁর অভিভাষণে চিহ্নিত শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতা বিরোধীদের বিচারের রায় কার্যকর করাকে বছরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এছাড়া তিনি কলেজ শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ১৩০ মিলিয়ন ডলারের একটি প্রকল্প প্রস্তাব চূড়ান্তকরণ, সেবা গ্রহীতাদের জন্য কল সেন্টার ও ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার চালু, ৫০ বছর অগ্রগতি মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ, কলেজগুলোর শিক্ষার মাননির্ণয়নে র‌্যাংকিং ব্যবস্থা, ‘স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ বিষয়ে কলেজ শিক্ষকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ, আন্তঃকলেজ সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া অনুষ্ঠান আয়োজন, ই-ফাইলিং চালু, কলেজ ও বিশ^বিদ্যালয়ে শিক্ষার নতুন বিষয় প্রবর্তন, জিপিএ-র ভিত্তিতে অনার্সে ভর্তি, সেশনজট নিরসনে গৃহীত ক্রাশ প্রোগ্রাম ও একাডেমিক ক্যালেন্ডার ঘোষণা ও এর অগ্রগতি, আঞ্চলিক কেন্দ্রসমূহ নিজস্ব ভবন নির্মাণে ডিপিপি প্রণয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনে ‘স্বাধীনতা’ নামে মুুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল চিত্রকর্ম স্থাপন ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরেন এবং ঘোষণা করেন যে, ২০১৬  সালের শেষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে।
অধিবেশনে নিন্দা প্রস্তাব গ্রহণঃ“জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিশেষ সিনেট অধিবেশন অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী  দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব নিয়ে অসত্য ও মনগড়া কথা বলেছেন । একই দলের আরেক নেতা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সম্পর্কে জঘণ্য ভাষায় মন্তব্য করেছেন। এই অধিবেশন মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে এ ধরনের ঐদ্ধত্বপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। একইসাথে এই অধিবেশন সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছে যে, ভবিষ্যতে যাতে কেউ মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধে শহীদ, শহীদ বুদ্ধিজীবী ও সম্ভ্রম হারানো নারীদের নিয়ে কোনো মিথ্যাচার করতে না পারে, তার জন্য সরকার বিশেষ আইন প্রণয়ন করবেন।”

সিনেটের এ বিশেষ অধিবেশনে  অন্যান্যের মধ্যে অধ্যাপক ড. শরীফ এনামূল কবির, জনাব সিরাজ উদ্দীন আহমেদ, জনাব রামেন্দু মজুমদার, জনাব শামসুজ্জামান খান, অধ্যক্ষ ড. মোঃ আবুল ফতেহ, অধ্যাপক শাহ সাজেদা, অধ্যক্ষ কাজী ফারুক আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব জনাব মোঃ হেলাল উদ্দিন, অধ্যাপক ড. আল মাসুদ হাসানুজ্জামান, অধ্যাপক আবু বকর সিদ্দিক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও প্রো-উপচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আসলাম ভূঁইয়া ও প্রফেসর ড. মুনাজ আহমেদ নূর এবং কোষাধ্যক্ষ  অধ্যাপক মোঃ নোমান উর রশীদ উপস্থিত ছিলেন।

ডাউনলোড করুন (Download)

 
(মোঃ ফয়জুল করিম)
পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)
জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দফতর
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

For security, use of Google's reCAPTCHA service is required which is subject to the Google Privacy Policy and Terms of Use.

I agree to these terms.