১৩ জুন ২০১৫ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ তম সিনেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত।

0

১৩ জুন ২০১৫ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ তম সিনেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত।

Published on dated: Saturday, June 13th, 2015

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট অধিবেশন

আগামী বছর শেষে প্রথম কনভোকেশন, র‌্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার, এস এস সি-এইচ এস সি’র ভিত্তিতে ভর্তি, ২০১৭ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ আইটি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের ১৭তম বার্ষিক অধিবেশন আজ ১৩ই জুন শনিবার সকাল ১০টায় গাজীপুর ক্যাম্পাসের সিনেট হলে সিনেট চেয়ারম্যান ও ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট ৫০ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। ভাইস-চ্যান্সেলর তাঁর অভিভাষণে এ পর্যন্ত কার্যকর হওয়া ২৮টি, বাস্তবায়নাধীন ৯টি এবং ভবিষ্যত কর্ম-পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ১০টি পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে ২০১৬ সালের শেষের দিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম কনভোকেশন অনুষ্ঠান, র‌্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করে পুরস্কৃত করা, এস এস সি ও এইচ এস সি’র ফলাফলের ভিত্তিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি, সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষে আর নয় বরং ভর্তি কার্যক্রম এগিয়ে আনা, ১লা ডিসেম্বর থেকে ক্লাস শুরু, ২০১৭ সালের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্পূর্ণ আইটিভিত্তিক এবং ২০১৮ এর মধ্যভাগ থেকে সম্পূর্ণ সেশনজটমুক্ত হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি আরো বলেন, সেশনজট নিরসনে গৃহীত পদক্ষেপের পর এখন আমাদের মূল লক্ষ্য হবে দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ অর্থাৎ শিক্ষার মানোন্নয়নে কর্মপ্রচেষ্টা নিয়োজিত করা।

অধিবেশনে বার্ষিক রিপোর্ট এবং ১৮১৪৫.৯০ (একশ একাশি কোটি পয়তাল্লিশ লক্ষ নব্বই হাজার) টাকার রাজস্ব ও ১৬৭৯৬.৫০ (একশ সাতষট্টি কোটি ছিয়ানব্বই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকার উন্নয়ন বাজেট পাসের পর ভাইস-চ্যান্সেলরের অভিভাষণের ওপর দীর্ঘ আলোচনা হয়। অন্যান্যের মধ্যে অধ্যাপক মোঃ আলী আশরাফ, মাননীয় সংসদ সদস্য, কুমিল্লা-৫ জনাব মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, মাননীয় সংসদ সদস্য, নাটোর-৪  প্রফেসর ড. শরীফ এনামুল কবির, সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়  অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপাচার্য, ইউ আই টি এস অধ্যাপক ড. আল মাসুদ হাসানউজ্জামান, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক ড. মুনতাসীর উদ্দিন খান মামুন, অধ্যাপক, ইতিহাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান, উপাচার্য, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় জনাব সিরাজ উদ্দীন আহমেদ, গভর্নর, বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন ড. মোঃ আবুল ফতেহ, অধ্যক্ষ, মদনমোহন কলেজ, সিলেট, জনাব রেজাউল কবির, অধ্যক্ষ, ইসলামিয়া কলেজ, চট্টগ্রাম প্রফেসর বিজিত কুমার ভট্টাচার্য, অধ্যক্ষ সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ, সিলেট  প্রফেসর

 ফজলুল হক, অধ্যক্ষ, বিএম কলেজ অধ্যাপক শাহ সাজেদা, বিএম কলেজ  প্রফেসর বাঞ্ছিতা চাকমা, অধ্যক্ষ, রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম  বিভাগীয় কমিশনার, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার, বরিশাল, চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ঢাকা জনাব রামেন্দু মজুমদার, আন্তর্জাতিক সভাপতি, ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইন্সটিটিউট অধ্যক্ষ কাজী ফারুক আহমেদ, সভাপতি, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক  সমিতি (বাকশিস), প্রফেসর ড. মোঃ আসলাম ভূঁইয়া, প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুনাজ আহমেদ নূর, প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক মোঃ নোমান উর রশীদ, ট্রেজারার  আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। বক্তাগণ বর্তমান প্রশাসনের সময়ে আঞ্চলিক কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ, বিভিন্ন সফটওয়্যার তৈরি তথা তথ্য-প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনে গতি সঞ্চার, সেশনজট নিরসনে উল্লেখযোগ্য সাফল্যসহ সর্বক্ষেত্রে লক্ষনীয় অগ্রগতি অর্জিত হওয়ায় এসবের প্রশংসা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গৃহীত পদক্ষেপের প্রতি তাঁদের সর্বাত্মক সমর্থন ঘোষণা করেন।

 সিনেট অধিবেশনে মুক্তিযুদ্ধ-বিরোধী তথা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর দোসর ড. এম. এ বারীর নামে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ভবন রয়েছে, এ নাম অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করে তার পরিবর্তে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কোনো বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ বা বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধার নামে নামকরণ করার প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

 

স্বা:-
(মোঃ ফয়জুল করিম)
পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)
জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দফতর
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
ফোন: ০১৭১১ ৫৬২১২৪

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

For security, use of Google's reCAPTCHA service is required which is subject to the Google Privacy Policy and Terms of Use.

I agree to these terms.